ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

ক্রিকেটারদের জন্য চিকিৎসকদের প্রস্তুতি

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২০  

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই ভাইরাস। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে বাংলাদেশেও। ভাইরাসের বিস্তার এড়াতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। সবদিকে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সবাই আছেন ঘরবন্দি। এরই মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের ল্যাবরেটরি। যে কেউ চাইলেই এ ভাইরাসের পরীক্ষা করাতে পারবেন না। চিকিৎসকরা রোগীর সঙ্গে কথা বলবেন এবং লক্ষণ জানবেন। চিকিৎসকের যদি সন্দেহ হয় ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত, তা হলেই কেবল তাকে পরীক্ষা করা হবে। কারও করোনা ভাইরাস আছে কিনা, তা পরীক্ষা করার জন্য দেশব্যাপী সেবা কার্যক্রম চালু করেছে সরকার।

বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়নি। যদি কোনো ক্রিকেটারের মধ্যে এ ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে প্রাথমিক পরিকল্পনা করে রেখেছেন বিসিবির চিকিৎসকরা। ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে কোথায় কীভাবে খেলোয়াড়ের পরীক্ষা করানো হবে- এ ব্যাপারে আমাদের সময়ের সঙ্গে কথা বললেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। তিনি জানান, যদি কারও সমস্যা হয় তা হলে ঢাকার ক্রিকেটাররা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার বাইরের ক্রিকেটাররা বিভাগীয় পর্যায়ে হাসপাতালে যেখানে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয় সেখানে পরীক্ষা করানোর সুযোগ দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত কি কোনো ক্রিকেটারদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দিয়েছে? দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, আমাদের কাছে এ রকম কোনো তথ্য নেই। কোনো ক্রিকেটারই তাদের নিজস্ব কোনো সমস্যা নিয়ে ফোন করেননি। তাদের আত্মীয়স্বজন- যেমন বাবা, মা, ভাই, বোনদের সমস্যা নিয়ে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন। নিজেরা কেউ অসুস্থ এ রকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

কোনো ক্রিকেটারের মধ্যে যদি করোনার নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দেয় তা হলে যেন বিসিবির চিকিৎসকদের জানানো হয়- এমন কথা বলে দেওয়া হয়েছে খেলোয়াড়দের। দেবাশিস চৌধুরী বলেন, আমাদের জানানোর পর আমরা ব্যবস্থা করব টেস্ট করার জন্য। এভাবে আমরা পিজি হসপিটালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) কথা বলে রেখেছি। যদি প্রয়োজন হয় আমরা যাব। এটা শুধু ঢাকার ক্রিকেটারদের জন্য। ক্রিকেটারদের আগে বলে দেওয়া আছে যে আমাদের আগে জানাবে। কারণ গেলেই তো আর টেস্ট করা হবে না। টেস্ট করার কিছু বিশেষ নিয়ম আছে, বিশেষ সেন্টার আছে। আমাদের জানালে আমরা ওই অঞ্চলে ব্যবস্থা নেব। বিভাগীয় পর্যায়ে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব সব বিভাগে। দেবাশিস চৌধুরী আরও বলেন, আমরা দুজন ডাক্তার আছি বিসিবির। আমাদের নম্বরগুলো তাদের (ক্রিকেটার) কাছে দেওয়া আছে। ওদের কোনো সমস্যা হলে আমাদের জানাবে। আমরা যখন তথ্য পাব তখন আমরা সরাসরি যোগাযোগ করব। পিজির ভাইরোলজি বিভাগের সঙ্গে আমাদের কথা আছে। আমরা সরাসরি ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। আমরা চেষ্টা করব টেস্ট ওখানে করার জন্য। এটা শুধু ঢাকার জন্য। চট্টগ্রাম হলে তো কাউকে আমরা এখানে নিয়ে আসতে পারব না। চট্টগ্রামে আমরা বিভাগীয় পর্যায়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালের সঙ্গে আমাদের কথা আছে। কিছু হলে সরাসরি আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব কোনো প্লেয়ার দেরি না করে যেন টেস্ট করতে পারে। বিভাগীয় পর্যায়ে যেখানে করোনা ভাইরাসের টেস্ট হচ্ছেÑ এগুলোর ঠিকানা আমাদের কাছে আছে। আমরা এক ধরনের প্রাথমিক কথা বলে রেখেছি। দেবাশিস চৌধুরী জানান, এই দুর্যোগের সময় শুধু ক্রিকেটার নন, তাদের আত্মীয়স্বজনের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বিসিবির চিকিৎসকরা।