ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শনিবার   ২৩ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৮ ১৪২৮

  • || ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

তিস্তার ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০১৯  

তিস্তা নদীতে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ফলে নদীর বাম তীরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একাংশসহ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিলে শেখ হাসিনা সেতুর সংযোগ সড়কসহ লক্ষ্মীটারী ও কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।

ভাঙন কবলিত গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের চর বিনবিনা, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর ইচলী, চর শংকরদহ এলাকায় ভাঙনে চর বিনবিনা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একাংশসহ আশপাশের গ্রামের ফসলী জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান, মনোয়ার হোসেন, গাজিউর রহমান সবুজ জানান, তিস্তা নদীতে পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

গত পাঁচদিনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একাংশসহ চর বিনবিনা, চর ইচলী, চর শংকরদহ গ্রামের ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের প্রতি দৃষ্টি আর্কশন করেছেন।

শনিবার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, গঙ্গাচড়া উপজেলার ইউএনও তাসলীমা বেগম, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী।

এসময় ভাঙন কবলিত লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী সাংবাদিকদের জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত নদী শাসনের কারণে প্রতিবছরই তিস্তা নদী ভাঙনের কবলে পড়ে। তিনি নদীর বাঁধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানান, ভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাম তীরেও নদী শাসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।