ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • রোববার   ১৭ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১ ১৪২৮

  • || ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

সাঘাটায় বন্যার ফলে বন্ধ ৪৩ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০১৯  

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ইউপি এলাকার উত্তর সাথালিয়া বৌ-বাজারে সোনাইল বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পাশ্ববর্তী নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। 

রোববার মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর সাথালিয়া বৌ-বাজার সোনাইল বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় পাশ্ববর্তী মুন্সিরহাট, দক্ষিণ সাথালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় তিন হাজার পরিবার। এতে প্রায় ২শ’ একর ফসলি জমি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় হাসিলকান্দি, হাটবাড়ি, বাঁশহাটা, গোবিন্দী গ্রামের বন্যা কবলিত পরিবারের লোকজন হাসিলকান্দি, ভরতখালী বন্দর স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে। আবার অনেকেই গরু, ছাগল নিয়ে বন্যা দুর্গত এলাকাতেই রয়েছে। ওইসব গ্রামের মানুষ গবাদিপশু নিয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষরা বেকার হয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। মানুষের পাশাপাশি গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বন্যার ফলে শত শত জাগ দেয়া পাট পানিতে ভেসে গেছে।  

অপরদিকে, সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট ও সাঘাটা থানা পুলিশ গরু, ছাগল চুরির হাত থেকে রক্ষার জন্য রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছেন। 

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে উপজেলার হলদিয়া ইউপির গোবিন্দপুর, বেড়া, গাড়ামারা, দীঘলকান্দি, পাতিলবাড়ি, গুয়াবাড়ি, কালুরপাড়া, কানাই পাড়া, কুমারপাড়া, জুমারবাড়ি ইউপির কাঠুর, থৈকরের পাড়া, র্প্বূ আমদির পাড়া, ঘুড়িদহ ইউপির চিনিরপটল, খামার পবনতাইড়, সাঘাটা ইউপির হাটবাড়ি, গোবিন্দী, বাঁশহাটা, দক্ষিণ সাথালিয়া, হাসিলকান্দি, ভরতখালি ইউপির ভরতখালী, বরমতাইড় ও ভাঙামোড়সহ বন্যা কবলিত গ্রামগুলোর ৩৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান, তার ইউপির মুন্সিরহাট, দক্ষিণ সাথালিয়া, হাটবাড়ি, গোবিন্দী, বাঁশহাটা, হাসিলকান্দি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। লোকজন পানিবন্দী হয়ে বিপাকে পড়েছে। বিশেষ করে দিন মজুররা বেশি সমস্যায় রয়েছে। কাজকর্ম না থাকায় পরিবারে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গত ১২ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি ১৮ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে  প্রবাহিত হচ্ছে।