ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শনিবার   ২৩ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৮ ১৪২৮

  • || ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

রেলের জায়গা থেকে গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ২২ মে ২০১৯  

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের পেছনের রেলের জায়গা থেকে ৩০টি গাছ কেটে বিক্রি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের টেঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাদিকুর রহমান খান ওরফে শেলী বাদী হয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক বরাবরে এ লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের পেছনে রেলের জায়গা থেকে গত প্রায় ছয় মাস পূর্বে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সেখানে থাকা প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। এর পর থেকেই ওই সব স্থানে থাকা মেহগনি, রেইনট্রি, আম, জামসহ ছোট-বড় প্রায় ৩০টি সরকারি গাছ প্রকাশ্যে কেটে তা বিক্রি করে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেন রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী ও তার সহযোগী রফিকুল ইসলাম। তবে তাদের এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কেউ জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, এসব গাছ বিক্রির টাকা মসজিদের কাজে লাগানো হচ্ছে।

মোহনগঞ্জ পৌর শহরের কাজীহাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একজন স্টেশন মাস্টার কিভাবে সরকারি এতগুলো গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন তা ভাবতে সত্যিই অবাক লাগে। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছু গাছ কেটে বিক্রি করার কথা স্বীকার করে বলেন, রেলওয়ে জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজে লাগানোর জন্য কিছু গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। তবে গৌরীপুর রেলওয়ের আইডাব্লিউ স্যারের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েই ওই সব গাছ কেটে বিক্রি করেছেন বলেও তিনি জানান।

গৌরীপুর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী (আইডাব্লিউ) অহিদুল ইসলাম বলেন, মোহনগঞ্জ রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার রেলের জায়গা থেকে গাছ কেটেছে এ বিষয়টি আমি এই প্রথম শুনেছি। আর এ ধরনের বেআইনি কাজের অনুমতি দেওয়ারত প্রশ্নই আসে না।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কাজী মো. রফিকুল আলমের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো আমার হাতে আসেনি। তবে অভিযোগটি পেলে তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।