ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

বারহাট্টায় বাঁধ ভেঙে বোরো জমি পানির নিচে

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ৭ মে ২০১৯  

নেত্রকোনার বারহাট্টায় শেষ রক্ষা হল না ফসল রক্ষা বাঁধের। সোমবার ভোর হতেই জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিরাম ইউনিয়নের পুটকিয়া নামক স্থানে সিঙ্গার বিল সাবমার্জেবল প্রজেক্টের প্রায় ৬০ ফুট বাঁধ ভেঙে গেছে। তিনটি হাওরে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করেছে।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জেলার বারহাট্টার চিরাম ও আসমা ইউনিয়নে প্রায় ২০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধ রয়েছে। ওই বাঁধের প্রায় ৭ কিলোমিটার সাবমার্জেবল। যা বর্ষায় ডুবে যায়। এবার উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ও একদিনের বৃষ্টিতে কংশ নদীর শাখা গুমাই নদীতে পানি বৃদ্ধি পায়।

ওই বাঁধের কয়েক জায়গায় ফাটল দেখা দেয়। এলাকাবাসী বাঁধটি নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন। সোমবার ভোরে বাঁধের পটকিয়া নামক স্থানে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ভেঙে যায়। এতে করে উপজেলার ওই দুটি ইউনিয়নের রামারবাড়ি, পুটিকা, হরিরামপুর, নয়হাটী, বাহিরকান্দা, গাবরকান্দা, উজানগাঁও, চিরামসহ প্রায় ২০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার হেক্টর উঠতি বোরো ফসলের জমিতে পানি প্রবেশ করেছে।

খবর পেয়ে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, বারহাট্টা উপজেলা চেয়ারম্যান মাঈনুল হক কাসেম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন, নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাঁধ এলাকায় যান। বাঁধ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসন এলাকাবাসীকে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, সেচ মওসুমে পানিতে সেচ দেয়ার জন্য ওই স্থানে পাইপ বসিয়েছিল। ঠিকমতো কাজ না করায় বাঁধের নিচ দিয়ে পানি প্রবেশ করে কিছুটা অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রায় তিন হাজার হেক্টর বোরো ফসলের জমিতে পানি প্রবেশ করেছে। বাঁধটি মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসীকে নিয়ে আমাদের লোকজন কাজ করছে।