ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক নেত্রকোনা

নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে ফের প্রসূতির মৃত্যু

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০১৯  

নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে অপারেশনের পর অবশেষে ইয়াসমিন আক্তার (২৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন প্রসূতির স্বজনরা।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

ইয়াসমিন আক্তার নেত্রকোণা পৌর শহরের দক্ষিণ কাটলী এলাকার বাসিন্দা লোকমান মিয়ার স্ত্রী। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ইয়াসমিন আক্তার গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) প্রসব ব্যথা নিয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ওইদিন দুপুরের দিকে নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও গাইনি সার্জন রঞ্জন কুমার কর্মকার তার অপারেশন করেন। পরে তার পালস্ (স্পন্দন) কমতে থাকলে এবং অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই বুধবার বিকালের দিকে ইয়াসমিন আক্তার মারা যান।

এ বিষয়ে কথা হলে রঞ্জন কুমার কর্মকার বলেন, অপারেশনে কোনো ত্রুটি ছিল না। অপারেশনের অনেক পরে তিনি (ইয়াসমিন) অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে- আমাদের জানা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার গাইনি চিকিৎসক রঞ্জন কর্মকার ও জান্নাত আফরোজ নূপুর মোট পাঁচজন প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এ সময় আবেদনবিদ হিসেবে ছিলেন প্রীতি রঞ্জন। এই পাঁচজনের মধ্যে মোহনগঞ্জ উপজেলার লিমা চৌধুরী নামে এক প্রসূতি গত মঙ্গলবার রাত সাতটার দিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে এবং ইয়াসমিন নামে অপরজন ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানোর পরদিন মারা যান।

লিমার বাবা জিয়া উদ্দিন চৌধুরী এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনের কাছে কর্তব্যরত নার্স ও আয়াদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করেছেন।

নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন তাজুল ইসলাম খান বলেন, মৃত্যুর ঘটনায় কারও অবহেলা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে লিমা চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।