ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৮০১

শিশুদের চোখের সমস্যায় যা করবেন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

শিশুদের চোখের সমস্যা স্থায়ী হয়ে যাওয়ার কারণ সঠিক সময়ে তাদের চোখ বা দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা না করা। শিশুদের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে যতক্ষণ তারা কথা না বলে ততক্ষণ তাদের অভিভাবকরা সমস্যা বুঝতেই পারেন না। এ ব্যাপারে ছোট থেকেই শিশুদের চোখের প্রতি নজর দিতে হবে অভিভাবকদের।

শিশুদের চোখের সমস্যা

গবেষণায় দেখা গিয়েছে বিশ্বের প্রতি ৫০ জন শিশুর মধ্যে একজন চোখের অ্যাম্বলিওপিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগের ফলে শিশুর একটি চোখ অপর চোখের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল থাকে। আবার কিছু ক্ষেত্রে দুটি চোখের দৃষ্টিশক্তি দুর্বল থাকতে পারে। ফলে চোখ মস্তিষ্কের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করতে পারে না এবং দৃষ্টিশক্তির বিকাশ হয় না।

কোন বয়সে চিকিৎসা করাবেন?

শিশু যখন কথা বলতে শেখে তখন থেকেই শিশুর চোখের চিকিৎসা করানো দরকার। এ ক্ষেত্রে চার বছর বয়স হলেই শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া ভাল। কারণ শিশুর বয়স ছয় বছর হয়ে গেলে রোগ নির্ণয় করতে বেশ কিছুটা সমস্যা হয়।

এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার, সেই সঙ্গে আই প্যাচ ও চোখের ড্রপ দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিশুদের কোন ধরনের সমস্যা বেশি হয় তা জেনে নিন এবং সে অনুসারে চিকিৎসা করান।

কনজাংটিভাইটিস

এক্ষেত্রে চোখের রং লাল হয় এবং চোখ চুলকায়। চোখে পানি পড়ে। এটি মূলত ভাইরাস এবং ব্যাক্টেরিয়া জনিত রোগ এবং ছোঁয়াচেও বটে।

আঞ্জনি

এর ফলে চোখের পাতায় গুটির মতো দানা উঠে। চোখের মধ্যে ঘর্ম গ্রন্থি সংক্রামিত হলে এই রোগ হয়। এটিও ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। চোখে ব্যথার পাশাপাশি অনেকেরই এই সময়ে চোখে পুঁজও হয়।

অশ্রুগ্রন্থি বন্ধ হয়ে যাওয়া

চোখের অশ্রুগ্রন্থি বন্ধ হয়ে থাকা শিশুর একটি চোখের একটি মারাত্মক রোগ। কিছু শিশু এই ভাবেই জন্ম নেয়। এক্ষেত্রে শিশুর চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারলে চোখের ম্যাসাজ এর মাধ্যমে চোখের বন্ধ অশ্রুগ্রন্থি খুলে যায়।

চোখের পাতা না খোলা

আবার অনেক সময় দেখা যায় শিশুরা চোখের পাতা খুলছে না। আবার শিশুর ক্ষেত্রে কিছু ক্ষেত্রে চোখের মণি ঠিক জায়গায় থাকে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

দৃষ্টিশক্তির সমস্যা

সাধারণত ৬- ৮ সপ্তাহের মধ্যে যেকোনো বয়সের শিশুরা ভাল ভাবে দেখতে পায়। কিন্তু সমস্যা থাকলে তিন মাসের মধ্যেই তা ঠিক হয়। এর ব্যতিক্রম ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

চোখের যত্নে যা করবেন

শিশুর চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিদিন চোখে পানি দিতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন মাছ, ডিম ,বেশি ফল সবজি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন।

চোখকে যেকোনো আঘাত থেকে রক্ষা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা ব্যবহার করতে হবে। ছোট থেকেই নিয়মিত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা