ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৭

  • || ০৬ শাওয়াল ১৪৪১

দৈনিক নেত্রকোনা
৬৫

রোগমুক্তির পর যেসব জিনিস পরিষ্কার করা জরুরি

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২০  

সারাবিশ্বেই এখন করোনার আতঙ্ক। এর কোনো প্রতিষেধক তৈরি না হওয়ায় সবাইকে বিশেষভাবে সচেতন থাকতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাছাড়া যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যান, তবে সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও জীবাণু যেন পুনরায় আক্রমণ করতে না পারে সেজন্য সচেতন থাকতে হবে।

দেখা যায়, অসুস্থ থাকা অবস্থায় আমরা অনেক বিষয়ের প্রতিই খুব বেশি সচেতনতা অবলম্বন করি। আর সুস্থ হয়ে গেলে সেসব বিষয়ে আর কোনো খেয়াল রাখি না। স্বাস্থ-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী আরোগ্য লাভের পরে ঘর জীবণু মুক্ত রাখতে যা করণীয় তা জেনে নিন-  

দরজার হাতল

জীবাণু যেন না ছড়ায় তাই দরজার হাতলের ভেতরের ও বাইরের দুপাশের অংশই জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। 

তোয়ালে পরিষ্কার

অসুস্থ অবস্থায় ব্যবহার করা তোয়ালে পরে ঠিক মতো ধুয়ে পরিষ্কার করুন। জীবাণুনাশক বোরক্স বা ব্লিচ ইত্যাদি দিয়ে তোয়ালে পরিষ্কার করে নিন। 

বিছানাপত্র পরিষ্কার

অসুস্থ ব্যক্তি বেশিরভাগ সময়ই কাটান বিছানায়। তাই সুস্থ হওয়ার পরে সবার আগে বিছানাকে জীবাণু মুক্ত করা উচিত। প্রয়োজনে এতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।  

কাপড় পরিষ্কার করা

অসুস্থ অবস্থায় ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় সুস্থ হওয়ার পরে ভালো ভাবে ধুয়ে নিন। কাপড় শুকাতে উচ্চ তাপমাত্রা অথবা কড়া রোদ ব্যবহার করুন।

মেঝে পরিষ্কার করা

রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার পরে ঘর, রান্নাঘর ইত্যাদির মেঝে এবং সেখানে ব্যবহৃত আসবাব ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। এছাড়াও লাইটের সুইচ, সিঁড়ির হাতল, কেবিনেটের হাতল ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। 

রিমোট কন্ট্রোল

অসুস্থ থাকা অবস্থায় রিমোট ব্যবহারের ফলে এতে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। তাই সবসময় তা পরিষ্কার করা উচিত। 

মোবাইল জীবাণুনাশ করা

‘টাচ স্ক্রিন’ মোবাইল জীবাণু আকর্ষণ করে দ্রুত। তাই সুস্থ হওয়ার পরে মোবাইল, ট্যাবলেট, কম্পিউটারের কি-বোর্ড ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী জীবাণুনাশক ওয়াইপ্স দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে পুনরায় জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

বাথরুম পরিষ্কার রাখা

বাথরুম জীবাণুর বাসা। তাই স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হয়। আর অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার পরে আরো বিশেষ সচেতনভাবে এর দরজার হাতল থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ সব কিছু পরিষ্কার করুন।

রান্নাঘর পরিষ্কার

অসুস্থ থাকা অবস্থায় অনেক ময়লা সামগ্রী রান্নাঘরের ডাস্টবিনে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও রোগীর ব্যবহৃত বাসনও এখানে রাখা হয়। তাই সুস্থ হয়ে ওঠার পরে রান্নাঘর ও ব্যবহৃত সামগ্রী ভালোভাবে জীবাণু মুক্ত করুন।

খেলনা

শিশুদের খেলনা জীবাণু মুক্ত করা প্রয়োজন। যেন তা পুনরায় আর সংক্রমণ ছড়াতে না পারে। বড় জিনিস জীবাণুনাশক ওয়াইপ্স দিয়ে পরিষ্কার করা গেলেও ছোট খাট খেলার জিনিস যেমন- লেগো, ব্রিকস ইত্যাদি বাসন মাজার সামগ্রী দিয়ে পরিষ্কার করুন।  

টুথব্রাশ

অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার পরে ব্যবহৃত পুরানো ব্রাশ বাদ দেয়া উচিত। তবে ঘরের অন্যান্য কাজে সেই ব্রাশ ব্যবহার করতে চাইলে তা পানি ও হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে জীবাণু মুক্ত করে নিতে পারেন। ব্রাশ পরিবর্তন করার পাশাপাশি ব্রাশ রাখার হোল্ডারও পরিষ্কার করার কথা ভুলে যাবেন না।  

ময়লা পাত্র ও ক্যান পরিষ্কার করা

ব্যবহৃত পুরানো ক্যান নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই ব্যবহারের পরে তা সরিয়ে ফেলা ও যথাস্থানে ফেলে দেয়া উচিত।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর