ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

১১৬৮

উদ্ভিদ

বিলাই চিমটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৮  

অন্য নাম আলকুশী। ভাওয়াল ও মধুপুর গজারি বনে বিচিত্র লতাজাতীয় গাছটি বেশি দেখা যায়। পাহাড়ি এলাকায়ও চোখে পড়ে। গজারিগাছ বেয়ে বেয়ে লতাগুলো ২৫-৩০ ফুট ওপরে চলে যায়। বহুবর্ষজীবী গাছে বেগুনি রঙের ফুল ফোটে। একটি মঞ্জুরিতে অনেকগুলো ফুল শিম ফুলের মতো ঝুলে থাকলেও মূলত এগুলো শিম ফুল নয়। পাতা শিম পাতার মতো হলেও খসখসে নয়। বনেবাদাড়ে অনাদরে ফুটে থাকা বিলাই চিমটি বুনোফুলের সৌন্দর্য দেখে মন ভরে যায়। ফলগুলো কাঁচা অবস্থায় সবুজ ও পাকলে বাদামি রং ধারণ করে। দূর থেকে থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা পাকা ফল দৃষ্টি কাড়ে। ফলগুলো শিমের চেয়ে মোটা ও বিচি বড়। সারা বছর ফুল ফুটলেও শীতকালে বেশি ফুল ফোটে। বিচিত্র এই গাছে একদিকে ফল পাকে অন্যদিকে ফুল ফোটে। পাকা ফলের উপরিভাগে ছোট ছোট লোম থাকে। স্থানীয় ভাষায় এই লোমকে ‘হুংগা’ বলে। নড়াচড়া হলেই লোম বা হুংগাগুলো আলগা হয়ে বাতাসে ছড়িয়ে যায়। এগুলো বিষাক্ত হওয়ায় অনেকে আক্রান্ত হয়। কর্পূরের মতো উড়ে যাওয়া হুংগার স্পর্শ ভয়ংকর। গায়ে লাগলে প্রচণ্ড চুলকানি শুরু হয়। পানি লাগলে বা চুলকালে চুলকানি আরো বাড়ে।

বিলাই চিমটির অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। বীজ বাতজ্বর ও কৃমিনাশক। বিছার কামড়ে বীজগুঁড়া লাগালে উপশম হয়। বীজটি অনেকেই সেদ্ধ করে খায়। শিকড় বেঁটে খেলে কাশি-অ্যাজমা-জ্বরের উপশম হয়। দিন দিন বন ধ্বংসের সঙ্গে সঙ্গে গাছটিও হারিয়ে যাচ্ছে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা