ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

প্রকল্প বাস্তবায়নে পাউবো সেনাবাহিনীর চুক্তি স্বাক্ষর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  

জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গৃহীত প্রকল্পটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে। এ বিষয়ে গতকাল বুধবার দুই সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষে লে. কর্নেল শাহ আলী (নগরে বাস্তবায়নাধীন মেগাপ্রকল্পের সেনাবাহিনীর পরিচালক) এবং পাউবোর পক্ষে সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্পের পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার সাহা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ডেলিগেট’ পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সেনাবাহিনী।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চিফ মেজর জেনারেল সাইখুজ্জামান, সেনবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার এবং পাউবোর চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পদস্থ কর্মকর্তারা।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্পের পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার সাহা বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। এখন তারাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবেন।’

সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে ইতোমধ্যেই আমরা ড্রয়িং-ডিজাইন এবং বিওকিউ (বিল অব কোয়ান্টিটি) চেয়েছি। কি পরিমাণ কাজ হবে এবং কোন কাজের কি পরিমাণ বিল হবে, এ বিষয়গুলো পেলে আমারা ঠিকাদারের সাথে চুক্তিতে যাব। এ চুক্তি করতে গেলে কাজের পরিমাণ এবং টাকার সংখ্যা জানতে হবে। এটা তারা শীঘ্রই দেবেন। এটা পেলে কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, গৃহীত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ৬২০ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ র্শীষক প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছিল। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর