ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৭২১

একাদশ নির্বাচন

নির্বাচন বানচালে ‘৫ অধ্যায়ের নীলনকশা’ তারেকের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন আইএসআই’য়ের গোপন ১১টি বৈঠকের খবরের সূত্র ধরে নতুন নতুন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এর একটি- শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নস্যাতের জন্য তারেক রহমানের ৫ অধ্যায়ের নীলনকশা। এই ৫টি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্বাচন বানচাল ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বিএনপি-জামায়াত। এর প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করছে আইএসআই।

অনুসন্ধানী তথ্যের ভিত্তিতে সূত্র বলছে, বাংলাদেশের জন্য আগামী সাতদিন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই সাত দিন নির্বাচন বানচালের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে বিএনপি-জামায়াত। ফলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা এখন একপ্রকার চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই তৎপরতা রুখতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত।

নির্বাচনে তারেক রহমানের পরিকল্পনাগুলো হচ্ছে-

১. নির্বাচনের আগে বেশ কিছু ভিআইপি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হিটলিস্টে রাখা হয়েছে। যাদের উপর আক্রমণ করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে এরকম বেশ কিছু ব্যক্তির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
২. সরকারি ভবন, থানাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা টার্গেট করা হয়েছে। নির্বাচন বানচালের জন্য এসব ভবনে আক্রমণের মাধ্যমে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
৩. একযোগে ঝটিকা আন্দোলনের একটি পরিকল্পনার নেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে দুই তিনদিনের একটি সর্বাত্মক এবং ঝটিকা আন্দোলনের চেষ্টা চলবে। যে আন্দোলন হবে সহিংস এবং নাশকতামূলক।
৪. হলি আর্টিজান হামলার নকশা কাজে লাগিয়ে বিদেশীদের টার্গেট করা হতে পারে বলে তথ্য এসেছে। এর মাধ্যমে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করা হবে যাতে নির্বাচন করাই অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে বাংলাদেশ সরকার।

৫. ভোটের দিন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভোটকেন্দ্রে আক্রমণ, ব্যালট পেপার পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আক্রমণকারীদের ‘নৌকা’ প্রতীকের ব্যাজ এবং মুজিব কোট পরিয়ে, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ানো হবে। এর প্রধান লক্ষ্য, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য বিবেচিত করা।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিএনপি-জামায়াতের এমন পরিকল্পনা নস্যাৎ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে আলাদা আলাদা একাধিক টিমের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে বাহিনীর সদস্যরা। যেকোন মূল্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক কু-পরিকল্পনা রুখে দেয়া হবে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর