ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৮ ১৪২৬   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

২০

দুর্গাপুরে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯  

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার। এর আগে কয়েক দফায় পেঁয়াজের মূল্য বাড়ায় বাজারগুলোতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে লবণের গুজব গ্রামের মানুষের উপর অনেকটা প্রভাব ফেলে। কিন্তু প্রশাসনের কার্যকরি ভূমিকা ও বাজার পর্যবেক্ষণ দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে পৌর শহরের বউ বাজার, মাছ’য়া বাজার, উৎরাইল বাজার, শিবগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, টানা দফায় দফায় দাম বাড়ার পর ফের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ চাষ না হলেও অন্য জেলা থেকে আনা পেঁয়াজে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। নতুন করে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা থেকে দেশি পেঁয়াজ বাজারে এলেই বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে। এখন বাজারগুলোতে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, উপজেলার বাজারগুলোতে লবণের দাম পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসনের বাজার পর্যবেক্ষণ ও অভিযান অব্যাহত থাকায় গুজব কেটে গেছে। তবে প্রথমে গুজবে পড়ে গ্রামের মানুষ তড়িঘড়ি করে লবণ কেনায় এখন পণ্যটির কেনাবেচা কমে গেছে। এছাড়া অতিরিক্ত দামে কোনো পণ্য বিক্রি রোধে প্রশাসন ও ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বাজারের বিভিন্ন স্থানে মূল্য তালিকা টানানো হয়েছে। বাজারগুলোতে ক্যাটাগরি অনুযায়ী খোলা লবণ ১২ টাকা, রূপালী ১৪ টাকা, চিংড়ি ১৮ টাকা, পূবালী সাইন ৩০ টাকা ও এসিআই লবণ ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে। 

 

 

এছাড়া অন্যান্য নৈত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মাঝে রসুন ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা, আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, চিনি ৫৮ টাকা, সয়াবিন তেল ৯০ টাকা, পামওয়েল ৭৫ টাকা, কোয়ালিটি ৭৮ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে। তবে এখনো কিছুটা অস্থিতিশীল রয়েছে শাকসবজির বাজার। স্থানীয় শীতকালীন নতুন সবজি এখনো বাজারে আসেনি। তাই কিছুটা বেশি দামে বিক্রয় হচ্ছে আমদানি করা সবজি। এর মধ্যে আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, নতুন আলু ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, আমদানি করা শিম ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, দেশি শিম ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা, আমদানি করা টমেটো ৮০ টাকা, দেশী টমেটো ১২০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রয় হচ্ছে। 

ক্রেতা আব্দুল আজিজ জানান, প্রতিদিনই নৈত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতে হয়। কিন্তু যেভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়ে, তাতে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। যদি প্রশাসন নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করে, তাহলে বাজার স্বাভাবিক থাকবে।

দুর্গাপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাপ্পী সাহা জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণের মজুদ রয়েছে। একটি মহল বাজার অস্থিতিশীল করতেই লবণের সংকটের গুজব ছড়িয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা গুজব প্রতিহত করেছে। এরইমধ্যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে লবণের একটি মূল্য তালিকা তৈরি করে বাজারের বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয়েছে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর