ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

২৯৬০

দুই মাসে ছড়ানো হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা, পেছনে তারেক জিয়ার পিএস

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮  

রাজধানীর মতিঝিল থেকে নগদ ৮ কোটি টাকা এবং ১০ কোটি টাকার চেকসহ তিনজনকে আটকের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) মতিঝিল সিটি সেন্টারের ২৭ তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানিয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় টাকা ছড়ানো ছিল তাদের উদ্দেশ্য। টাকাগুলো এসেছিল দুবাই থেকে। আর এর পেছনে রয়েছেন তারেক জিয়ার সাবেক একান্ত সহকারী নুরুদ্দিন অপু।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি, সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা অপু এক সময় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন। দণ্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যে থাকা তারেক কয়েক বছর আগে লন্ডন থেকে সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে গেলে তার সঙ্গে তখনও অপুকে দেখা গিয়েছিল।

তার বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নে। শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানে শীষের প্রার্থী তিনি।

র‌্যাব জানায়, সিটি সেন্টারের ২৭ তলায় যেখানে অভিযান চালানো হয়েছে সেখানে ইউনাইটেড কর্পোরেশন ও ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই মাস আগে অফিসটি ভাড়া নেয়। গত দুই মাসে অফিস থেকে ১৫০ কোটি টাকা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়। ইউনাইটেড করপোরেশনের কথিত মালিকের গত এক মাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৩ কোটি টাকার লেনদেন করেছেন এবং গত দুই মাসে এক কোটি টাকা দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠিয়েছেন।

জব্দ করা টাকার সঙ্গে তারেক রহমানের ছবিসংবলিত এক বিএনপি নেতার প্রচারপত্র দেখা গেছে সেখানে। ওই নেতা হলেন শরীয়তপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ (অপু)। ঢাকার একটি আসনের সব ভোটারের নাম-ঠিকানা সংবলিত একটি তালিকাও আলী হায়দারের অফিসে পাওয়া গেছে বলে জানায় র‌্যাব।

অভিযানে কথিত আমদানি-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কর্পোরেশনের এমডি আলী হায়দার, গুলশানের আমেনা এন্টার প্রাইজের জিএম (এডমিন) জয়নাল আবেদিন ও অফিস সহকারী আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের একজন হাওয়া ভবনে কাজ করত।

র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তের পর ধারণা করা হচ্ছে নির্বাচনকে প্রভাবিত ও প্রশ্নবিদ্ধ এবং পেশীশক্তির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেই টাকাগুলো এখান থেকে পাঠানো হচ্ছে। আমরা গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এর সাথে যারা যারা জড়িত আছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর