ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৭

  • || ০৬ শাওয়াল ১৪৪১

দৈনিক নেত্রকোনা
৯৪

ঢাবির ‘কার্বন কপি’ হবে সাত কলেজ

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ৩ মার্চ ২০২০  

অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজকে নিজেদের ‘কার্বন কপি’ বানানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এজন্য ঢাবিতে প্রচলিত প্রতিটি পাঠ পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন সাত কলেজেও প্রচলন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

এজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতি, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ইনকোর্স-মিডটার্ম, থিসিস, রিসার্চ ও এক্সপেরিমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে সাত কলেজেও পাঠ্যক্রম সাজানো হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে কলেজগুলোর শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মানও। 

ঢাবি শিক্ষক শিবলী রুবাইয়েত বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সাত কলেজের মান বাড়াতে হবে। আমি অবশ্যই তাদের পেছনে ফেলে আগাবো না। এজন্য অধিভুক্ত এসব কলেজের শিক্ষা পদ্ধতি পাল্টে দিতে সুদূরপ্রসারী কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে সবার মঙ্গল হবে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরই মধ্যে সাত কলেজে নিজেদের বেশ কয়েকটি নিয়ম বাস্তবায়ন করা শুরু করে দিয়েছে। এরমধ্যে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ঢাবির নিয়মে অধিভুক্ত সাত কলেজে ক্লাস করার নোটিশ জারি করা হয়েছে। 

ঢাবি কর্তৃপক্ষ জানায়, সাত কলেজেও ক্লাসে ৬০-৭৪ শতাংশ উপস্থিত থাকলে শিক্ষার্থী নন-কলেজিয়েট হিসেবে গণ্য করা হবে। আর ৬০ শতাংশের কম উপস্থিত থাকলে শিক্ষার্থী ডিস-কলেজিয়েট হবেন। এজন্য শিক্ষার্থীদেরকে গুনতে হবে ক্ষতিপূরণ।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সাত কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর এ বিষয়ে নির্দেশনা পাঠিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি থাকতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিতি ৬০-৭৪ শতাংশের মধ্যে আছে সেইসব শিক্ষার্থীকে ‘নন-কলেজিয়েট’ শিক্ষার্থী হিসাবে গণ্য হবে এবং ‘নন-কলেজিয়েট’ ফি প্রদান করতে হবে।

এছাড়া যেসব শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিতি ৬০ শতাংশের কম আছে সেইসব শিক্ষার্থীকে ‘ডিস-কলেজিয়েট’ শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হবে। ‘ডিস-কলেজিয়েট’ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কলেজের বিভাগ কর্তৃক ভেরিফাই করার সময় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির শতকরা হিসাব উল্লেখ করতে হবে এবং উপস্থিতি পত্রের হার্ডকপি স্ব-স্ব বিভাগে সংরক্ষণ করতে হবে। আর নন-কলেজিয়েট ফি দিতে হবে ১৫০০টাকা। এ ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা দিতে হবে।

অধিভুক্ত ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানে শিক্ষা প্রদান করতে চাই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে পরিবর্তনগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করছি। ঢাবির প্রতিটি নিয়ম যদি সাত কলেজে চালু করা যায়, তাহলে অধিভুক্ত কলেজগুলোকে কেউ আর আলাদা ভাবতে পারবে না। শিক্ষার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠবে না। 

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আখতারুজ্জামান বলেন, সাত কলেজকে ঢাবি মানে উন্নীত করার স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আমরা সেটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছি। এবছরের মধ্যেই সাত কলেজের শিক্ষা মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমপর্যায়ে উন্নীত হবে।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর