ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৪ ১৪২৬   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

১৪২৭

গলায় যেন কিছু আটকে আছে!

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

পাকস্থলীর খাবার ও এসিড যদি শরীরের উপরের দিকে স্বরযন্ত্র ও গলার মধ্যে উঠে আসে তখন গলার স্বর বসে যেতে পারে বা বিরক্তিকর কাশি বারবার হয়। একে রিফ্লাক্স বলে।

গ্রিক এ শব্দের অর্থ হচ্ছে উল্টা প্রবাহ। যাদের রিফ্লাক্স থাকে তাদের মধ্যে সবার বুকজ্বলা বা হজমের অসুবিধা নাও থাকতে পারে। এজন্য একে সুপ্ত রিফ্লাক্স বলা হয়।

এর কারণ হচ্ছে, যে পদার্থগুলোর রিফ্লাক্স হয় তারা খাদ্যনালিতে বেশিক্ষণ থাকে না এবং পাকস্থলীর এসিডও খাদ্যনালিতে প্রদাহ করতে পারে না। এজন্য বুকজ্বলা উপসর্গ হয় না।

এজন্য গলার মধ্যে চাকার মতো একটি বোধহয়, একে গ্লোবাস ফেরিনজিস বলে। কেউ কেউ বলেন, গলায় কিছু চেপে বসে আছে অথবা গলার শ্লেষ্মা এমনভাবে জমে গেছে যে, কফের সাহায্যেও পরিষ্কার করতে পারছেন না।

অনেকে ক্যান্সার মনে করে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। প্রকৃতপক্ষে টিউমার বা ক্যান্সারের জন্য এ সমস্যা হয় না। তবে অনেকদিন ধরে গলার স্বর বসা থাকলে, বারবার গলা পরিষ্কার করা বা কাশি হলে, ঢোক গিলতে অসুবিধা হলে নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে গলার এন্ডোসকপি করা লাগতে পারে।

এ রোগের চিকিৎসা কয়েক মাস থেকে বছরব্যাপী নিতে হয়। ধূমপান ও অ্যালকোহল পান না করা, টাইট জামা না পরা, খাওয়ার পরপরই না শোয়া, চর্বিযুক্ত খাবার না গ্রহণের মাধ্যমে সমস্যার তীব্রতা কমানো সম্ভব।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর