ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ১০ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৬ ১৪২৬

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪১

১০৫

এই সফটওয়্যার জানাবে গর্ভের শিশু নর্মালে হবে না সিজারে

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

গর্ভের শিশুর খবরাখবর জানতে কত অস্থির না হয়ে পড়ি আমরা। কারো শখের, পরম স্বপ্নের বা প্রবল আকাঙ্খার এই শিশুকে নিয়ে কত কিছুই ভাবি। তবে এই ভাবনার অবসান ঘটাবে এই সফটওয়্যার। শিশুটি নর্মাল ডেলিভারিতে হবে না সিজারে তাও জানাবে।
এই সফটওয়ারের আবিষ্কারক আহমেদ কাওছার। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এপ্লাইড ম্যাথ ১০ম ব্যাচের ছাত্র তিনি। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে স্পিজনার অ্যান্ড স্কোপাসের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্সের বেস্ট রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।   

কনফারেন্সটির মূল ট্যাগলাইন ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইভার সিকিউরিটিতে নতুন আবিস্কারগুলো সামনে নিয়ে আসা। আর দেশকে নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্পর্শে আনা। পৃথিবীর প্রায় ২০টির বেশি দেশ থেকে গবেষক, প্রফেসর, বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণাগুলো জমা দেন।

দেশের সেরা সব কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণাগুলো জমা দেন। এরমধ্যে বেস্ট রিসার্চ অ্যাওয়ার্ডের তালিকায় জায়গা করে নেন নোবিপ্রবির কাউছার। 

তার গবেষণাটি ছিল মেশিন লার্নিং অ্যান্ড ডিপ লার্নিং ব্যবহার করে একজন গর্ভবতি নারীর ডেলিভারি মোড প্রেডিকশন করা যাবে। 

এই গবেষণাটির লক্ষ্য হচ্ছে, মেশিং লার্নিং অ্যান্ড ডিপ লার্নিং ইউস করে মোটামুটি নির্নয় করা সক্ষম হয়েছে, একজন ডেলিভারি রোগীর কি সত্যি সিজার করা লাগবে কিনা। এই ক্ষেত্রে ৮৯ পার্সেন্টের বেশি সঠিক প্রেডিকশন করতে সক্ষম হয়েছে।

কাওছার বলেন, এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেঁচে যাবে রোগীর খরচাপাতি। তাই ডাক্তার বা মেডিকেল বিশেষজ্ঞরা এ আবিস্কার নিজেদের করে নিবে না। কারণ তাদের মুনাফার ক্ষতি হবে। ভবিষ্যতে যদি কোনো ফান্ড পাই তাহলে সেটি এমনভাবে প্রোডাক্ট ডিজাইন করা হবে। যেনো একজন রোগী ঘরে বসেই নিজেই ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে তাদের শিশু ডেলিভারিতে নর্মালে হবে না সিজারে। 

তাছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণায় কাওছারের আগে পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড ছিল। যার মধ্য ভারতে আসিসি-আইটি, রবি আর-ভেঞ্জার, রাজশাহী ইউনিভার্সির কিংবা বেসিসি আইসিটি অ্যাওয়ার্ড উল্লেখযোগ্য।

কাওছার জানান, এই গবেষণার জন্য আমাদের ডেটা নিয়ে অনেক বেশি সমস্যা ফেইস করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নার্সিং অফিসার রায়হানা ইয়াসমিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তাড়াইল কিশোরগঞ্জ আমাদের এই কাজের জন্য সব চাইতে বেশি সহযোগিতা করছে। তার প্রতি আমরা অনেক কৃতজ্ঞ। অনেক ধন্যবাদ জানায় প্রফেসর ড. বাবুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, অনিক ভাই এবং প্রত্যশাকে তার অক্লান্ত সহোযোগিতার জন্য।

কাওছার নোবিপ্রবির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে চান বিশ্ব দরবারে। সে আশা নিয়ে কাওছার যোগদান করেছেন আমেরিকা ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর