ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৭

ইলেকট্রনিক সিগারেট নিয়ে কিছু তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০১৯  

পৃথিবীর প্রায় বেশিরভাগ ধূমপায়ী ইলেক্ট্রনিক সিগারেটের সঙ্গে পরিচিত। ইলেকট্রনিক সিগারেট বর্তমানে ধূমপায়ীদের জন্য এনেছে এক ভিন্ন মাত্রা। কোনো ভালো মানের একটি ইলেকট্রনিক সিগারেট একজন ধূমপায়ীকে সত্যিকারের ধূমপানের মত অনুভূতি দান করে। ইলেক্ট্রনিক সিগারেটের সুবিধা এই যে এটি সত্যিকারের সিগারেটের মতো খুব বেশি ক্ষতিকর নয়। আবার সত্যিকারে ধূমপানের ফলে যেসব শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি দেখা যায় সেগুলোর তুলনায় ইলেকট্রিক সিগারেট পান করলে শারীরিক কোন ক্ষতি হয় না বললেই চলে। আসলে ইলেকট্রনিক সিগারেট সত্যিকারের সিগারেটের চেয়ে অর্ধেক ক্ষতিকারক প্রভাবমুক্ত। ফলে সাইড ইফেক্ট তুলনামূলক অনেক কম। ইলেকট্রনিক সিগারেট দেখতে কিংবা ধূমপানের ক্ষেত্রে অনেকটা সাধারণ সিগারেটের মতো মনে হলেও এর ফাংশন একটু অন্যরকম।

বেশিরভাগ মানুষই হয়তো জানেন না, ইলেকট্রনিক সিগারটে কোন তামাক পাতা থাকে না। এক্ষেত্রে এক ধরনের ধোঁয়ার সঙ্গে নিকোটিনের মিশ্রণ থাকে এবং এটি বিভিন্ন ফ্লেভারের হয়ে থাকে। যখন একজন ব্যক্তি ইলেকট্রনিক সিগারেট থেকে ধূমপানের সময় নিঃশ্বাস নেয়, তখন এর মধ্যে থাকা একটি সেন্সর সেই ধোঁয়া বের করে। সে ধোঁয়াতে থাকে নিকোটিন, প্রোপিলিন গ্লাইকোলের সাথে বিভিন্ন ফ্লেভারের মিশ্রণ। এসবের সঙ্গে মিশ্রিত থাকে সিগারেটের মতো ঘ্রাণ যুক্ত পদার্থ যা ব্যবহৃত হয় তামাকের পরিবর্তে। আর এতো সব কিছুর জন্য দরকার পাওয়ার সোর্সের, যেটি আসে মূলত ব্যাটারী থেকেই। আর এই ইলেকট্রনিক সিগারেট চার্জ দেয়া যায়। ইলেকট্রনিক সিগারেট হচ্ছে নিকোটিন নিয়ন্ত্রিত এক সিগারেট যা গ্রহণে ক্যান্সারের সম্ভাবনা খুবই কম থাকে সাধারণ সিগারেটের তুলনায়।

এই সিগারেটের বেশ কিছু সুবিধা থাকার জন্য এবং এর উপাদানে ক্ষতিকারক পদার্থ কম থাকায় এটি অনেক দেশে বৈধ। যেহেতু ইলেক্ট্রনিক সিগারেটে তামাক থাকে না তাই এটি বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পান করা বৈধ। ইলেকট্রনিক সিগারেটে নিকোটিনের পরিমাণ সাধারণ সিগারেটের চেয়ে তুলনামূলক কম থাকায় এটি কম আসক্তিজনক। ফলে অনেকে মনে করেন যারা সিগারেট ছেড়ে দিতে চান তারা যদি একেবারে সিগারেট না ছাড়তে পারেন তাহলে তারা সাধারণ সিগারেটের পরিবর্তে ইলেক্ট্রনিক সিগারেট গ্রহণ করতে পারেন। তবে বিজ্ঞানীরা এ বিষয় নিয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন। তাই এটি নিয়ে আরো বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
এই বিভাগের আরো খবর