ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৫ ১৪২৬

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

১২৪১

‘আই লাভ ইউ’ কথাটির ব্যবহার কোথায় কেমন?

দৈনিক নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

মাত্র তিনটি শব্দ ‘আই লাভ ইউ’। এর মাধ্যমেই মানুষ তাদের চূড়ান্ত ভালোবাসা প্রকাশ করে থাকে। ভালোবাসার মানুষকে ‘ভালোবাসি’ কথাটি বলেনি এমন মানুষ বোধ হয় অনেক কমই আছে! তবে জানেন কি? দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সংস্কৃতির ভিন্নতা অনুযায়ী একেক দেশে ভালোবাসা প্রকাশ করার পদ্ধতি ও রীতিনীতিতেও ঢের পার্থক্য রয়েছে। কোনো এক দেশের মানুষরা নাকি প্রেমিক প্রেমিকার সঙ্গে দীর্ঘদিন ডেটিং করে তারপর ভালোবাসা বোধ করলে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’বলে থাকে আবার অন্য একটি দেশের মানুষরা তো মুখ ফুটে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা বোধই করে না। তাদের মতে ভালোবাসা মনের বিষয় মুখে প্রকাশের দরকার কী? তবে জেনে নিন তারা কীভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে-

ফ্রান্স
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রান্সের ডেটিং বিষয়টি বরাবরই বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে ভিন্ন। কারণ সে দেশের মানুষরা একসঙ্গে একাধিক প্রেম করতে পারে। তবে প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় দিনে নয়ং ডেটিংয়ের দুই মাসের মধ্যে তারা একে অন্যকে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে থাকে।  অনেক ক্ষেত্রে তো সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াতে কিংবা তাকে আরো ভালোভাবে চিনতে ও জানতে তিন থেকে ছয় মাস সময় লেগে যায় ভালোবাসা নিবেদন করতে। পরবর্তীতে দু’পরিবারে সদস্যদের সঙ্গে একে অন্যকে পরিচয় করিয়ে দেয়। 

জাপান
জাপানিজরা ‘আই লাভ ইউ’ইংরেজিতে নয় বরং তারা শব্দগুলোর জাপানিজ ভাষায় অনুবাদ করে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে। তাদের ভাষায় 'আই শাইটিরু' অর্থ ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি। যদিও জাপানিজরা চূড়ান্ত ভালোবাসা অনুভব করলেই এই শব্দগুলো সঙ্গীকে বলে থাকে। একজন জাপানী প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে ভালোবাসার গুরুত্ব অনেক বেশি। ভালোবাসায় যাতে ঘুন না ধরে এজন্য তারা সঙ্গীর প্রতি সম্মান, ভালোবাসা, মূল্যায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উৎসর্গ করার মানসিকতায় অটুট থাকে।

ইরাক
আরবি ভাষায় ভালোবাসার শব্দগুলোকে ইরাকের মানুষরা অনুবাদ করে 'আহিব্বিক'তে। তবে তারা ডেটিংয়ের প্রথম দিন এমনকি প্রথম দেখাতেও সঙ্গীনীকে প্রপোজ করে থাকে।

দক্ষিণ কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষরা তাদের সঙ্গীকে কখনো 'আই লাভ ইউ’বলে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাদের ধারনা রয়েছে প্রেম মনের বিষয়। আর ভালোবাসা মৌখিকভাবে প্রদর্শিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যাইহোক, পশ্চিমা চলচ্চিত্র এবং সংস্কৃতির প্রসারের কারণে প্রবণতা পরিবর্তিত হচ্ছে, এবং তরুণ দম্পতিরাও তাদের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আরো বেশি খোলামেলা হয়ে ‘আই লাভ ইউ’ হয়তো কখনো সখনো বলে থাকবে। কিন্তু সে দেশের ৪০ বছরের বেশি বয়সের লোকজন তাদের স্ত্রী কিংবা সঙ্গীর নিকট ভালোবাসার কথা প্রকাশের বিষয়টি এখনো সাধারণ নয়। 

ইরান
২০ শতকের দিকে, 'আই লাভ ইউ’ বলে এক নারীকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেন এক ইরানী। পরবর্তীতে, সে মেয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বিবাহের কথা বলে। যাইহোক, ১৯৭৯ সালের দিকে ইসলামিক বিপ্লব নতুন সামাজিক নিয়ম নিয়ে আসে এবং বিয়ের পূর্বে পাত্র-পাত্রীর সম্পর্কের উপর বিধি-নিষেধ তৈরি করে। তবে বর্তমান সময়ে ইরানীরা,"আমি তোমাকে ভালোবাসি" বলার অর্থকে  "আমি এই সম্পর্কের পরবর্তী ধাপে যেতে এবং তোমার সঙ্গে ঘুমাতে প্রস্তুত" হিসেবেও মেনে থাকেন। 

চীন
যখন একজন পুরুষ একজন নারীকে "ও আই নই" বলে, তখনই নারী বুঝে যায় ছেলেটি তাকে কতটা ভালোবাসে! এর আগে, ছেলে-মেয়েরা একে অন্যের হাত ধরে ডেটিং করতে পারে। এমনকি দু’জনের মতের মিলে দৈহিক সম্পর্কেও জড়াতে পারে। তবে ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে যুগলরা প্রত্যেকে একে অপরকে "ও আই নি" বললেও বয়স্কদের মধ্যে এটি সাধারণ নয়।

দৈনিক নেত্রকোনা
দৈনিক নেত্রকোনা
section>
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর